বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
মাধবদীর পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীদের ওপর পৌরসভার কতিপয় লোকের ‘হুমকি-ধামকি ও বৈষম্যের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত মাধবদীর কাঁঠালিয়ায় টিকটক করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরীর শান্ত চরমধুয়াকে অশান্ত করে তোলার নেপথ্যের কারিগর কে?? নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সরকারী আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী রিক্রুটিং লাইসেন্স ওর্নাস এসোসিয়েশনের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মাধবদী ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার দলীয় মনোনয়ন পেলে মাধবদী পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম

রাতের আঁধারে মসজিদের সৌন্দর্য নষ্ট, ফুলের চারা কেটে ফেলল দুর্বৃত্তরা

মোঃ নুর আলম / ১৩৫ পাঠক
প্রকাশকাল বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

নরসিংদী সদর উপজেলার নুরালাপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাহেরচর জামে মসজিদের সামনের সৌন্দর্য বর্ধনকারী ফুলের বাগানটি রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। যে বাগানটির ফুলের সৌরভে একসময় চারপাশ মৌ মৌ করতো, সেখানে এখন শুধুই ধ্বংসের চিহ্ন। এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সামাজিক বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা গাছগুলো ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং মুসল্লিদের জন্য একটি মনোরম পরিবেশ তৈরি করতে এই ফুলের বাগানটি তৈরি করা হয়েছিল। প্রতিদিনের নামাজের আগে ও পরে মুসল্লিরা এই বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করতেন। কিন্তু রাতের আঁধারে কে বা কারা এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকার সাধারণ মানুষ এটিকে কেবল একটি সৌন্দর্যহানি হিসেবে দেখছেন না, বরং এটিকে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করার একটি অপচেষ্টা হিসেবে গণ্য করছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে ছবি পোষ্ট করেছেন।

মসজিদের মুসল্লি মোঃ জাকারিয়া বলেন, “যারা এমন জঘন্য কাজ করতে পারে, তারা সমাজের শত্রু। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক।”

এলাকার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, “বহু বছর ধরে এই গ্রামে বাস করছি, কিন্তু এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। তুচ্ছ বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু মসজিদের মতো একটি পবিত্র স্থানের এমন ক্ষতি কেউ করতে পারে, তা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না।”

এই ঘটনাটি এলাকায় সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিয়েছে। একে অপরকে দোষারোপ করার একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা গ্রামের সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পরিস্থিতি শান্ত করার এবং দোষীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। তারা এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার এবং কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।