সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার দলীয় মনোনয়ন পেলে মাধবদী পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন মৃধা মাধবদীতে আওয়ামী লীগের দুর্গে ধস: ভিপি নাসিরের নেতৃত্বে ‘অজেয়’ আনন্দী এখন বিএনপির দখলে। মাধবদীতে আলহাজ্ব ফজলুল করিম কিন্ডারগার্টেন এন্ড জুনিয়র স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সুজনের ‘জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে নরসিংদী-১ আসনের পাঁচ প্রার্থীর আধুনিক নরসিংদী গড়ার অঙ্গীকার মাধবদীর টাটাপাড়ায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতির ছেলের বিরুদ্ধে মসজিদের জমি দখলের অভিযোগ নরসিংদীতে জেলা পর্যায়ে রেফারেল ডিরেক্টরী সভা অনুষ্ঠিত মাধবদীতে চালু হলো রয়েল কেক: মানসম্মত খাবার ও রকমারি মিষ্টান্নের নতুন ঠিকানা নরসিংদীর শিবপুরে পবিত্র আজিমুশ্বান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত

মাধবদীতে টাকার জন্য মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করলো মাদকাসক্ত ছেলে

মো. নুর আলম / ৭৮৭ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীর মাধবদীতে টাকা চেয়ে না পেয়ে নিজের গর্ভধারিণী মাকে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে গুরুতর জখম করেছে এক মাদকাসক্ত ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় মাধবদী থানার পাইকারচর ইউনিয়নের বালাপুর গ্রামে।
আহত আয়েশা বেগম (৬০) পাইকারচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মিজানুর রহমানের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে তার মেঝো সন্তান ওমর ফারুক (৩৫)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মা বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও মাদকে আসক্ত। টাকার প্রয়োজনে সে প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের উপর অত্যাচার চালাত। ঘটনার দিন সোমবার সন্ধ্যায় সে তার মা আয়েশা বেগমের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ফারুক উত্তেজিত হয়ে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। এক পর্যায়ে মা বাধা দিতে গেলে হাতের কাছে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত আয়েশা বেগম জানান, “আমার ছেলে গত ৬ মাস ধরেই টাকার জন্য এমন উৎপাত করে আসছে। ঘটনার দিন ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করছিল, আমি বাধা দিলে সে আমাকেই মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।”

আয়েশা বেগমের ছোট ছেলে আলী হোসেন বলেন, “আমার ভাই গত ৮-১০ বছর ধরে মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত। এ পর্যন্ত আমরা তাকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছি, কিন্তু তার চাহিদা পূরণ হয়নি। এর আগেও এ নিয়ে গ্রাম্য সালিশ হলেও সে কিছুই মানতে রাজি নয়। সুযোগ পেলেই সে পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়।”

ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা বেগমকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে তিনি মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।