শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
মাধবদীর পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীদের ওপর পৌরসভার কতিপয় লোকের ‘হুমকি-ধামকি ও বৈষম্যের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত মাধবদীর কাঁঠালিয়ায় টিকটক করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরীর শান্ত চরমধুয়াকে অশান্ত করে তোলার নেপথ্যের কারিগর কে?? নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সরকারী আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী রিক্রুটিং লাইসেন্স ওর্নাস এসোসিয়েশনের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মাধবদী ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার দলীয় মনোনয়ন পেলে মাধবদী পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম

মাধবদীতে টাকার জন্য মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করলো মাদকাসক্ত ছেলে

মো. নুর আলম / ৮১৩ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীর মাধবদীতে টাকা চেয়ে না পেয়ে নিজের গর্ভধারিণী মাকে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে গুরুতর জখম করেছে এক মাদকাসক্ত ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় মাধবদী থানার পাইকারচর ইউনিয়নের বালাপুর গ্রামে।
আহত আয়েশা বেগম (৬০) পাইকারচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মিজানুর রহমানের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলে তার মেঝো সন্তান ওমর ফারুক (৩৫)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মা বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে জুয়া ও মাদকে আসক্ত। টাকার প্রয়োজনে সে প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের উপর অত্যাচার চালাত। ঘটনার দিন সোমবার সন্ধ্যায় সে তার মা আয়েশা বেগমের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে ফারুক উত্তেজিত হয়ে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। এক পর্যায়ে মা বাধা দিতে গেলে হাতের কাছে থাকা লোহার পাইপ দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত আয়েশা বেগম জানান, “আমার ছেলে গত ৬ মাস ধরেই টাকার জন্য এমন উৎপাত করে আসছে। ঘটনার দিন ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করছিল, আমি বাধা দিলে সে আমাকেই মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।”

আয়েশা বেগমের ছোট ছেলে আলী হোসেন বলেন, “আমার ভাই গত ৮-১০ বছর ধরে মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত। এ পর্যন্ত আমরা তাকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছি, কিন্তু তার চাহিদা পূরণ হয়নি। এর আগেও এ নিয়ে গ্রাম্য সালিশ হলেও সে কিছুই মানতে রাজি নয়। সুযোগ পেলেই সে পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়।”

ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা বেগমকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে তিনি মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।