সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
মাধবদীর কাঁঠালিয়ায় টিকটক করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরীর শান্ত চরমধুয়াকে অশান্ত করে তোলার নেপথ্যের কারিগর কে?? নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সরকারী আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী রিক্রুটিং লাইসেন্স ওর্নাস এসোসিয়েশনের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মাধবদী ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার দলীয় মনোনয়ন পেলে মাধবদী পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন মৃধা মাধবদীতে আওয়ামী লীগের দুর্গে ধস: ভিপি নাসিরের নেতৃত্বে ‘অজেয়’ আনন্দী এখন বিএনপির দখলে।

মাধবদীতে আওয়ামী লীগের দুর্গে ধস: ভিপি নাসিরের নেতৃত্বে ‘অজেয়’ আনন্দী এখন বিএনপির দখলে।

দুর্জয় টোয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক- / ৩৯ পাঠক
প্রকাশকাল সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছর পর নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভায় রাজনীতির মানচিত্র বদলে গেল। যে কেন্দ্রটিকে একসময় আওয়ামী লীগের ‘অভেদ্য দুর্গ’ বলা হতো, সেই ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদীর গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব খায়রুল কবির খোকন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই অভাবনীয় ফলাফল কেবল একটি জয় নয়, বরং নরসিংদীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। আর এই অসাধ্য সাধনের মূল কারিগর হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন নরসিংদী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, ক্লিন ইমেজের নেতা ভিপি নাসির।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, স্বাধীনতার পর থেকে এই কেন্দ্রে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী জয়ের মুখ দেখেননি। কিন্তু ভিপি নাসিরের বিচক্ষণতা, সুদৃঢ় নেতৃত্ব, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আধুনিক নির্বাচনী পরিকল্পনার কাছে হার মেনেছে দীর্ঘদিনের সেই রাজনৈতিক সমীকরণ। তরুণ এই নেতার সৃজনশীল নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনী লড়াইয়ে ভিপি নাসিরের ছায়া সঙ্গী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মোহাব্বত আলী, মো: সামসুল হক,কবির হোসেন, মামুন,জোহর আলী,বাবুল, উজ্জল ও সুজনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাদের সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও দলীয় শৃঙ্খলার কারণেই আনন্দী কেন্দ্র থেকে বিএনপির প্রার্থীকে সর্বাধিক ভোট দিয়ে বিজয়ী করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, তরুণ প্রজন্মের অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে কোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়, ভিপি নাসির ও তাঁর দল আজ তাই প্রমাণ করেছেন।
এই বিজয় কেবল খায়রুল কবির খোকনের ব্যক্তিগত জয় নয়, বরং এটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলায়তন ভাঙার গল্প। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং একটি সমৃদ্ধ আগামীর লক্ষ্যে আনন্দীবাসী যে পরিবর্তন চেয়েছিল, ভোটের ফলাফলে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাধবদীর এই রেকর্ড ভঙ্গকারী বিজয় আগামী দিনে স্থানীয় রাজনীতিতে তরুণ নেতৃত্বের এক বিশাল মাইলফলক হয়ে থাকবে। ঐক্য, কৌশল আর জনগণের ভালোবাসা থাকলে যে কোনো দুর্ভেদ্য দুর্গ জয় করা সম্ভব—ভিপি নাসির ও তাঁর সহযোদ্ধারা সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিয়েছেন।

ভিপি নাসিরের হাত ধরে তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের স্বপ্নের মাধবদী বিনির্মান হবে এমনটাই স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।