শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
মাধবদীর পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসীদের ওপর পৌরসভার কতিপয় লোকের ‘হুমকি-ধামকি ও বৈষম্যের’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি, ভূইয়া সজল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত মাধবদীর কাঁঠালিয়ায় টিকটক করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরীর শান্ত চরমধুয়াকে অশান্ত করে তোলার নেপথ্যের কারিগর কে?? নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নরসিংদীতে সরকারী আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী রিক্রুটিং লাইসেন্স ওর্নাস এসোসিয়েশনের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মাধবদী ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার দলীয় মনোনয়ন পেলে মাধবদী পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম

আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি ‘নূরা’ গ্রেপ্তার

মো. আল-আমিন সরকার / ৩৮ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

 

মাধবদী থানার চাঞ্চল্যকর ১৫ বছর বয়সী কিশোরী আমেনা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি নূর মোহাম্মদ মিয়া (১৮) ওরফে নূরাসহ আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে এবং কিশোরগঞ্জ থেকে হযরত আলী নামে অপর এক আসামিকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত নূর মোহাম্মদ মাধবদীর কোতালিরচর মাদুর বাড়ী এলাকার শাহজাহানের ছেলে এবং হযরত আলী একই এলাকার হান্নান মিয়ার ছেলে।

শনিবার দুপুরে নরসিংদী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কিশোরী আমেনাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় আবারও গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়ে মাধবদী থানাধীন মহিষাশুড়া এলাকায় তাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে একই এলাকার সরিষা ক্ষেত থেকে ভুক্তভোগীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে একইদিনে ভিকটিমের পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে আসামিদের সনাক্ত করে অভিযান শুরু করে। অভিযানে জড়িতদের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে কিশোরীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে মরদেহ উদ্ধার হলে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে দেশে-বিদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং কয়েকজনের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, “এ ধরনের নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”

দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল আসামিসহ অধিকাংশ আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশংসিত হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। নেটিজেনরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সদিচ্ছা থাকলে কোনো অপরাধীই আইনের হাত থেকে রেহাই পায় না—এ ঘটনাই তার প্রমাণ।

এদিকে, আমেনা হত্যাকাণ্ডে তার সৎ বাবা আশরাফুলকে ঘিরেও নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে হাজেরা নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। #